কওমি কণ্ঠ রিপোর্টার :
সিলেট মহানগরে ১০ দিনের ব্যবধানে দুটি আলোচিত ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এই দুই ঘটনার পর বেড়েছে পুলিশের তৎপরতা। ধরাও পড়েছে শতাধিক অভিযুক্ত-অপরাধী ব্যক্তি। তবে ওই দুই ঘটনায় জড়িত কাউকে এখনো পাকড়াও করতে পারেনি পুলিশ। এতে জনমনে ক্ষোভ ও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সিলেটের মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) জানিয়েছে, মহানগর এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযানে
শতাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত ছিনতাইকারী ও আসামিসহ শতাধিকজনকে আটক করা হয়েছে।
অন্যদিকে সিলেট নগরীতে মাত্র নয়দিনের ব্যবধানে একই কায়নার দুইটি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। দুটি ঘটনাই ঘটেছে আবাসিক এলাকায় বাসাবাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরার সামনে। কিন্তু প্রশ্ন ওঠছে ছিনতাইয়ের ঘটনা ক্যারো পড়লেও কেন অপরাধী ধরা পড়ছে না?
এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন নগরবাসী।
পাশাপাশি সিলেটের দুই মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও আরিফুলহক চৌধুরী এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশর প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
তাঁরা ছিনতাইকারীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করতে এরই মধ্যে আইন- শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সকালে মহানগরের সাগরদিঘিরপার এলাকায় এক নারী হেঁটে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলযোগে এসে দুই ব্যক্তি তার পথরোধ করে ব্যাগ ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। ব্যাগ ছাড়তে না চাইলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখানো হয়। পরে তারা সটকে পড়েন। এ ঘটনায় এখনো কেউ ধরা পড়েনি বা অপরাধীরা সনাক্ত হয়নি।
এর ১ দিন আগে বিকাল ৩টার দিকে মহানগরের হাউজিং এস্টেট এলাকায় তিনটি মোটরসাইকেলে আসা ছিনতাইকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশার গতিরোধ করে এক নারীর ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। এই দুটি ঘটনায় সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে এবং পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায়ও জড়িত কেউ এখনো ধরা পড়েনি।